খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মারবে না সরকার : কাদের

রাজনীতি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলার মতো অমানবিক ও নিষ্ঠুর কাজ শেখ হাসিনার সরকার করবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন।

সরকার খালেদা জিয়াকে জেলখানায় বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলতে চায় বলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অভিযোগের জবাব দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি এতটুকু বলতে চাই, শেখ হাসিনার সরকার অমানবিক নয়। খালেদা জিয়া আইনগত কারণে হয়তো কারাগারে রয়েছেন। কিন্তু তাঁকে বিনা চিকিৎসায় মেরে ফেলতে হবে, এ ধরনের অমানবিক ও নিষ্ঠুর কাজ সরকার করবে না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিজেপি এবার ভূমিসস জয় পেয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে টুইট করেছেন, অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন। ভারতের জনগণের আস্থার প্রতিদান দিয়েই টানা দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন মোদী। গত মোদী সরকারের আমলে আমাদের সঙ্গে অনেক অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান হয়েছে। বাকিগুলো এবার হবে আশা করি।

তৃণমূলের কাউন্সিল ঘিরে সুবিধাবাদীদের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, রুলিং পার্টিতে সুযোগসন্ধানীরা অনুপ্রবেশ ঘটাতে চায়। সুযোগসন্ধানীরা সব সময় এটা করে থাকে। আমাদের দলের সিদ্ধান্ত পরিষ্কার, পরীক্ষিত ত্যাগী নেতাকর্মীদের দিয়ে তৃণমূলকে সুসংগঠিত করতে হবে। এখানে কোনও সুযোগসন্ধানীর স্থান হবে না।

সড়কমন্ত্রী বলেন, সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় মুজিব বর্ষ পালন ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফর এবং ঈদের পরে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের জাতীয় সম্মেলন ঘিরে সারা দেশে তৃণমূল পর্যন্ত কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এসব বিষয়ে আমাদের দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।

এর আগে ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক হয়। বৈঠকে মুজিব বর্ষ পালন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সফরসহ ঈদের পরে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া মুজিব বর্ষের কর্মসূচি মোটাদাগে পালনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জাতীয় সম্মেলনের আগে সারা দেশে তৃণমূল পর্যন্ত কমিটি গঠনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এনামুল হক শামীম, শিল্পবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর, বনবিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  •  
  •  

Leave a Reply