কানাইঘাটের শেওতচুরা জলমহাল নিয়ে দুই পক্ষের চরম উত্তেজনা

কানাইঘাটের শেওতচুরা জলমহাল নিয়ে দুই পক্ষের চরম উত্তেজনা

সিলেট বিভাগ

সিলেট সংবাদ ডেস্ক ::  সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় ঝিঙ্গাবাড়ী ও রাজাগঞ্জ ইউপির সিমান্ত এলাকার শেওতচুরা জলমহালটি লিজ নেওয়া নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে চলছে চরম উত্তেজনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এসিল্যান্ড লসিকান্তসহ মৎস্য কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে উভয় পক্ষকে শান্তিপূর্ণ অবস্থানে থাকার আহবান জানিয়েছেন। জানা যায়, উপজেলার শেওতচুরা জলমহালটি একটি ঐতিহ্যবাহী বিল। প্রতিবছরই সরকারী নিয়ম মাফিক মৎস্যজীবি সমিতির ব্যানারে জলমহালটি স্থানীয় লোকজনের কাছে লিজ প্রদান করা হয়ে থাকে। গত বছর শাহজালাল মৎস্যজীবি সমিতির ব্যনারে জলমহালটি লিজ নেন আমরপুর নয়ামাটি গ্রামের ফখর উদ্দিন। তখন স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন ফখর উদ্দিন কোন মৎস্যজীবি সম্প্রদায়ের লোক না হয়ে জালিয়াতি করে জলমহালটি লিজ নিয়েছেন। এবার ২০১৯ সনে জলমহালটি ইজারা দেওয়ার সময় আসলে জলমহালটি লিজ নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে আবেদন করে ঝিঙ্গারখাল মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি। অপর দিকে গত বছরের ন্যায় এবারও শালজালাল মৎস্যজীবি সমিতির ব্যানারে আবেদন করেন ফখর উদ্দিন। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দেয় বিভক্তিসহ উত্তেজনা। ঝিঙ্গারখাল সমিতির লোকজন দাবী করেন, সরকারী নিয়ম অনুযায়ী তাদের গ্রামের কাছে জলমহালটির অবস্থান, এবং তারাই প্রকৃত মৎস্যজীবি সম্প্রদায়ের লোক। তাই জলমহালটি লিজ তারাই পাবেন। অপর দিকে শাহজালাল সমিতির পক্ষে ফখর উদ্দিন দাবী করেন তাদের গ্রামের কাছে জলমহালটির অবস্থান তাই তিনি জলমহালটি লিজ পাবেন। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসে কয়েক দফা বৈঠকের পর ১৩ এপ্রিল জলহমালটি পরিদর্শনে এসে এলাকা ভিত্তিক মাপজোকের সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। ঐ দিন সকালে সরেজমিন বিলটি মাপতে সরেজমিনে আসেন উপজেলা এসিল্যান্ড লুসিকান্ত ও মৎস্য কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার সরকারী সার্ভেয়ার আব্দুল হালমি। সকাল থেকে মাপ শুরু হলে হঠাৎ করে সার্ভেয়ার আব্দুল হালমি অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। ফলে মাপের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে উপজেলার নির্বাহী অফিসারে নির্দেশে এসিল্যান্ড লুসিকান্ত বলেন, জেলা থেকে একজন সার্ভেয়ার নিয়ে এসে পরে মাপ দিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Leave a Reply