‘মুজিব কোট’ পরে এসেছিল শিশুরা

জাতীয়

গতকাল (রোববার) শততম জন্মদিন গেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। দেশব্যাপী উদযাপিত হল দিনটি।

রোববার পালিত হলো শিশু দিবসও। স্বাধীনতার মহান স্থপতিকে স্মরণ করতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জমায়েত হয়েছিল কোমলমতি শিশুরা।

প্রত্যেকের গায়ে পরা ছিল বঙ্গবন্ধুর প্রিয় পোশাক ‘মুজিব কোট’ । যেন সবাই ভবিষ্যতের ‘বঙ্গবন্ধু’। তাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হলো ৭ মার্চের সেই অবিনাশী ভাষণ।

এভাবে জাতির পিতার শততম জন্মদিনকে আরও রঙিন করে তুলল শিশুরা।

এ বর্ণিল অনুষ্ঠান উদযাপনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মুক্তির গান’। ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের পথে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত হয় এ আয়োজন।

শুরুতেই জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা। এর পর বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ ‘সেই অবিনাশী উচ্চারণ’ প্রতিযোগিতা শীর্ষ ৫০ শিশুর ভাষণের ভিডিও কোলাজ প্রদর্শিত হয় বড় পর্দায়।

এরপর সাংস্কৃতিক সংগঠন বাতিঘরের শিশুশিল্পীদের পরিবেশনায় নৃত্য-গীতিনাট্য ‘কখন আসবে কবি’ উপস্থাপিত হয়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্ব শেষে ছিল সংক্ষিপ্তত আলোচনা পর্ব। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হৃদয়ে যা ধারণ করতেন, সেটিই তিনি বলেছিলেন ৭ মার্চের ভাষণে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশুরা বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে হৃদয়ে যেভাবে ধারণ করেছে তা দেখে আমি অভিভূত। এই শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। যাদের জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।’

বক্তব্য শেষে শুরু হয় পুরস্কার প্রদান পর্ব। অতিথিরা ‘সেই অবিনাশী উচ্চারণ’ প্রতিযোগিতায় সেরা ৭ প্রতিযোগিকে পুরস্কৃত করেন।

পাশাপাশি সেরা তিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। ময়মনসিংহের নান্দাইলের দরিল্লা-গয়েশপুর আ. হামিদ জুনিয়র হাই স্কুল, ঢাকার বশির উদ্দিন আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মোহাম্মদাবাদ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসাকে পুরস্কৃত করা হয়।

পুরস্কার পর্ব শেষে জাদুশিল্পী লিটন পরিবেশন করেন জাদু। সন্ধ্যা নামলে শিশুদের মনরঞ্জনের উদ্দেশে আতশবাজির ঝলকানির দেখা মেলে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের আকাশে।

সবশেষে ব্যান্ড দলের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Leave a Reply