ছোট্ট শিশু ফাহমিদা বাঁচতে চায়

সিলেট বিভাগ

ফুটফুটে মায়াবী চেহারা। বয়স ১২ কি ১৩ হবে। ডাগর চোখের জিজ্ঞাসু দৃষ্টি। আর দশটা শিশুর সাথে সেও স্কুলে পড়ে। পার্থক্য এইটুকুই সে অন্য সব শিশুর মতো নয় ।

যে বয়সে তার স্কুলের মাঠ, বাড়ির আঙ্গিনা মাতিয়ে রাখার কথা সে বয়সে তার শরীরে ভর করেছে ভয়ানক ব্যাধি। কিডনির সমস্যার কারণে হাত, পাসহ পুরো শরীর ফুলে গেছে। অসুস্থতার কারণে স্কুলের পরিবর্তে হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাটছে তার দিনরাত।

ফাহমিদা আক্তার সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কলাকুটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী।

কিডনির জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে সে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫ম তলার ২২নং ওয়ার্ডের ১০ নম্বর সিটে গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সুচিকিৎসার অভাবে তার অবস্থা দিন দিন অবনতির দিকে যাচ্ছে। তার পিতা অস্বচ্ছলতার জন্য চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে পারছেন না।

ফাহমিদার পিতা মো. আব্দুর রহমান কলাকুটা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আগে পাড়ার মসজিদের ইমাম ছিলেন, এখন বেকার। ছয় সন্তানের মধ্যে ফাহমিদা দ্বিতীয়। চোখের সামনে সন্তানের দুরবস্থা দেখে তিনি হতাশ ও চিন্তিত। আব্দুর রহমানের মোবাইল নম্বর ০১৭৪১১৪৬৩২৪। সমাজের বিত্তবান বা হৃদয়বান ব্যক্তিদের সহানুভূতির দৃষ্টি ফাহমিদার স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে দিতে পারে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা হলেই সুস্থ হয়ে উঠতে পারে ফাহমিদা। সবার ক্ষুদ্র সহযোগিতায় হয়ত শিশুটি নতুন জীবন পেতে পারে।
তাকে সহযোগিতার জন্য বিকাশ নম্বর-০১৭৩২১৫৯০৩৮

Leave a Reply