‘হাই-টেক পার্কে প্রবাসীদের বিনিয়োগের লক্ষে আইটি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করবে সিলেট চেম্বার’

সিলেট বিভাগ

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে নির্মানাধীন সিলেট হাই-টেক পার্ক (সিলেট ইলেক্ট্রনিক সিটি)তে প্রবাসীদের বিনিয়োগের লক্ষে সিলেট চেম্বারে আইটি হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ। রোববার লন্ডনে আয়োজিত সেমিনারে তিনি এ তথ্য জানান। সিলেট হাইটেক পার্কে প্রবাসীদের বিনিয়োগে আকৃষ্টকরণের লক্ষে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের সহযোগিতায় এ সেমিনার আয়োজন করে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটি।

বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটির প্রজেক্ট ডাইরেক্টর (যুগ্ম সচিব) সৈয়দ মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশ হাই কমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর এস. এম. জাকারিয়া হক এর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও সিলেট-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ।

এছাড়াও সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জুয়েনা আজিজ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক অথরিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম, এনডিসি।

সেমিনারে চেম্বার সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, সারাবিশ্বে বর্তমানে আইটি বিপ্লব চলছে। বাংলাদেশও এ খাতে পিছিয়ে নেই। বর্তমান সরকার আইটি খাতে দেশকে এগিয়ে নিতে সিলেট অঞ্চলকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন এবং সিলেটে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম হাই-টেক পার্ক নির্মিত হচ্ছে। তিনি বলেন, বৃটেনে বসবাসরত সিলেটীদের এ সুবর্ণ সুযোগ গ্রহণ করা উচিত।

তিনি জানান, বিনিয়োগকারীদের যাতায়াত সহজতর করতে সম্প্রতি সিলেট চেম্বার অব কমার্সের দাবীর প্রেক্ষিতে সিলেট-ঢাকা-সিলেট রুটে বিমানের সান্ধ্যকালীন ফ্লাইট চালু হয়েছে। এছাড়াও সিলেট চেম্বার বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে অন এরাইভ্যাল ভিসার মেয়াদ ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯০ দিন করা, সিলেট চেম্বারে একটি আইটি হেল্প ডেস্ক স্থাপন এবং বিনিয়োগকারীদেরকে জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু সহ বিভিন্ন দাবী জানিয়েছে।

তিনি বলেন, সিলেটের প্রবাসীরা চাইলে সিলেটকে একটি আধুনিক মেগাসিটিতে রূপান্তর করতে পারেন। সেমিনারে সিলেট হাই-টেক পার্কের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রেজেন্টেশেন উপস্থাপন করেন হাই-টেক পার্কের প্রধান পরামর্শক স্থপতি ইকবাল হাবিব।

সেমিনারে সিলেট হাই-টেক পার্কের প্রজেক্ট ডাইরেক্টর (উপ-সচিব) ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সারোয়ার ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ হাই কমিশনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্রিটিশ-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের নেতৃবন্দ, ওয়েল্স-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং প্রবাসী বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply