ঐক্যফ্রন্ট নেতাই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দৌড়ে আসবে : কাদের

রাজনীতি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেখা যাবে এই সমস্ত যে ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্ট এবং জোটের অনেক নেতাই নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য দৌড়ে আসবে। আমি মনে করছি তাদের অনেকেই প্রার্থী হবে। এ কারণেই আন্দোলনের যে চিত্র সেটা নির্বাচনের চিত্র হবে না। দৃশ্যপট পালটে যাবে। এ কারণেই বলছি, বিএনপিকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য এমন কোন আন্দোলন হবে না।

রবিবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, এরকম ধারা চলতেই পরে, এটি রাজনীতিরই অংশ। তবে, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরে এমন ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্ট এবং জোট কতটা টেকসই হয় সেটাই দেখার বিষয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে উপলক্ষ করে ঐক্যফ্রন্ট, যুক্তফ্রন্ট এবং জোট গঠনের চেষ্টা চলছে । এটা গণতন্ত্রের স্বাভাবিক পরিস্থিতি।

‘সংসদ নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণার পর আর কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকবে না। তখন নির্বাচনী উৎসব বইবে এবং সবাই নির্বাচনে আসার জন্য তোড়জোড় শুরু করবে,’বলেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী।

নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে বিএনপি যে দাবি জানিয়ে আসছে সে বিষয়ে করা প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘বিএনপি যে দাবি করছে সেটা করতে হলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। শিডিউল ঘোষণার আর এক মাস বাকি আছে। এই সময়ে তো সংবিধান পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের প্রয়োজন নেই। তাদের প্রয়োজন অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। এখানে সরকারে কে থাকলো, এটা তাদের দেখার দরকার নেই।

কাদের বলেন, নির্বাচনের সময় নির্বাচনকালীন সরকারের কোনো কাজ থাকবে না। তারা শুধু রুটিনমাফিক কাজ করবে। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। সেখানে সরকারের কোনো হাত নেই। তখন সরকারের ক্ষমতা সীমিত হয়ে যাবে। বিএনপির দরকার হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষই আছে।

Leave a Reply