বিশ্বনাথে খুন হওয়া কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত, ঘাতক আটক

সিলেট বিভাগ

সিলেটের বিশ্বনাথ থানার রামপাশায় গত ১০ সেপ্টেম্বর পাওয়া অজ্ঞাত তরুণীর লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। একই সাথে খুনের সাথে জড়িত ঘাতক শফিক মিয়াকে গতকাল মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার নাছির গ্লাস ফ্যাক্টরী থেকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা পুলিশ সুপারে কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গত ১০ সেপ্টেম্বর বিশ্বনাথের রামপাশায় এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। লাশের গলায় পেচানো ওড়নার দুই পাশের দুই মাথায় পলিথিন দ্বারা মোড়ানো সাদা কাগজে লেখা দুইটি একই নম্বরের মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়। মোবাইল ফোন নাম্বারের সূত্র ধরে এ হত্যা রহস্য উদঘাটন করা হয়।।

তিনি জানান, নিহত তরুণীর নাম রুমী আক্তার। সে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর থানার আউতপাড়া নগরভাত গ্রামের মো. আতাউর রহমানের মেয়ে। সে গত ৯ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তার পাশের বেডে ভর্তি ছিল ঘাতক শফিক মিয়ার শ্বাশুরী। এভাবে তাদের পরিচয় হয়। পরে শফিক মিয়া রুমী আক্তারকে সিলেট নিয়ে আসে। এক পর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর আবারো টাঙ্গাইল ফিরে যায় শফিক।

মোবাইল নম্বর পর্যালোচনা করে দেখা যায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্বনাথের ইমরান আহমদের সাথে দফায় দফায় যোগগাযোগ করে শফিক মিয়া। ইমরানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শফিক মিয়ার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। শফিক মিয়া টাঙ্গাইলে চাকরি করে বলেও জানান ইমরান। ওখানে এক মহিলার সাথেও প্রেমের সম্পর্কও গড়ে তোলে শফিক। ঐক মহিলার সাহায্যে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে তােকে আটক করা হয়।

পুলিশ সুপার জানান, শফিক মিয়ার চার স্ত্রী আছে। সে বিভিন্ন এলাকার মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলো ধর্ষণ করতো। আগামীকাল বৃহস্পতিবার শফিককে আদালতে তুলে রিমান্ড চাওয়া হবে।

Leave a Reply