হ্যারির জোড়া গোলে জয় পেল ইংল্যান্ড

খেলার খবর

আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয় পেয়েছে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল ইংল্যান্ড। ইংলিশদের পক্ষে দুটি গোলই করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

রাশিয়ার ভলগোগ্রাদে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ইংল্যান্ড। ম্যাচের ১২ মিনিটে জটলা থেকে জন স্টোন্সের হেড প্রথমে তিউনিশিয়া গোলরক্ষক মোয়েজ হাসেন বাধা দিলেও ধরে রাখতে পারেননি। ফিরতি শটে গোলের দেখা পান ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

১৪ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় তিউনিসিয়া। ইনজুরির কারণে গোলরক্ষক হাসানকে মাঠ ছাড়তে হয়। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার ভালো সুযোগ ছিল ইংলিশদের। এশলে ইয়ংয়ের ক্রস থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন লিনগার্ড। কিন্তু এবারও বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন তিনি।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে পেনাল্টি পেয়ে যায় তিউনিসিয়া। ডি বক্সের মধ্যে তিউনিসিয়ার ফখরুদ্দিন বিন ইউসুফকে কনুই দিয়ে আঘাত করেন কাইল ওয়াকার। ফলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। আর তা থেকে গোল আদায় করে নিতে কোনো ভুল করেননি ফেরজানি সাসি।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হলেও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল ইংল্যান্ড, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি একটিও।

দ্বিতীয়ার্ধেও মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। কিন্তু তিউনিশিয়ার দুর্বার রক্ষণ ভেদ করতে পারছিল না তারা। ৮৭ মিনিটে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন মার্কাস রেসফোর্ড। তবে বল নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি তিনি।

নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত ইংলিশদের আটকে রেখেছিল তিউনিসিয়া। মনে হচ্ছিল আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ব্রাজিলের মতোই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়হীন থাকবে ইংল্যান্ডও। কিন্তু ইংল্যান্ড কাঙ্ক্ষিত গোলটি পায় অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাগুইরের হেড থেকে ডি বক্সের সামনে ফাঁকায় বল পেয়ে যান কেইন। আলতো হেডে ঘুরিয়ে দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এ টটেনহ্যাম তারকা। ফলে স্বস্তির জয়ে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে ১৯৬৬ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

জি গ্রুপের এ খেলায় ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক কেইন।

Leave a Reply