এম সাইফুর রহমান শিশু পার্কের নাম পরিবর্তনে বিএনপির নিন্দা

সিলেট বিভাগ

সিলেটের আলমপুরে নির্মিত এম সাইফুর রহমান শিশু পার্কের নাম মুছে জননেত্রী শেখ হাসিনা শিশু পার্ক করার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ। অবিলম্বে নাম পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র পরিহারের করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তারা।
বুধবার এক বিবৃতিতে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম ও সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ বলেন- উন্নয়নের রুপকার এম সাইফুর রহমানের হাতে দিয়েই বৃহত্তর সিলেটে উন্নয়নের বিপ্লব সাধিত হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে হাজার বছরের শ্রেষ্ট সিলেট প্রেমিক হিসেবে এম সাইফুর রহমান সিলেটের কোটি জনতার হৃদয়ে ঠাই করে নিয়েছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যে ক্ষমতাসীন অবৈধ সরকার সিলেটের বিভিন্ন স্থাপনা থেকে মরহুম এম সাইফুর রহমানের নাম মুছে দিয়েছে। সরকারের নাম পরিবর্তনের নোংরা প্রতিহিংসার রাজনীতির ধারাবাহিকতায় সিলেটের দক্ষিন সুরমা এলাকার আলমপুরে নির্মিত এম সাইফুর রহমান পার্ক থেকে উন্নয়নের রুপকার সাইফুর রহমানের নাম মুছে সেখানে শেখ হাসিনার নাম স্থাপন করা হয়েছে। এই ধরনের ন্যাক্কারজনক কর্মকান্ডে সিলেটবাসী বিস্মিত। শেখ হাসিনার নামে কিছু করতে আমাদের আপত্তি নেই। নতুন কিছু নির্মাণ করে তাতে শেখ হাসিনার নাম সংযোজন করতে পারেন। কিন্তু সাইফুর রহমানের হাতে গড়া কোন স্থানের নাম থেকে শ্রেষ্ট সিলেট প্রেমির নাম মুছে দেয়ার রাজনীতি সিলেটবাসী মেনে নিবেনা।
তারা বলেন- ২০০৬ সালে তৎকালীন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের প্রচেষ্টায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দক্ষিণ সুরমার হবিনন্দী মৌজার ৩.৪৪ একর ভূমির উপর উক্ত শিশু পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। মাটি ভরাট করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, পর্যাপ্ত আলোর জন্য বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন স্থাপন, দৃষ্টিনন্দন তোরণ নির্মাণসহ পার্কের যাবতীয় কাজ ২০০৯ সালে শেষ হয়। অবকাঠামোগত দিক থেকে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকা সত্তে¡ও ৮ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিলো পার্কটি। অবশেষে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় পার্কের কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু পার্কটি যখন উদ্ধোধনের অপেক্ষায় সেই মুহুর্তে উক্ত স্থাপনা থেকে সাইফুর রহমানের নাম মুছে ফেলা সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ। উক্ত শিশু পার্কটি সাইফুর রহমানের নামে বহাল রাখার এবং নাম পরিবর্তনের প্রতিহিংসার রাজনীতি পরিহার করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান তারা।

Leave a Reply