কোটা আন্দোলনের পালে ‘বাতাস’ দিতে চাইছিলেন তারেক : হাছান মাহমুদ

রাজনীতি

তারেক রহমান কোটা সংস্কার আন্দোলন অন্য খাতে প্রবাহিত করতে চাইছিলেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ।

লন্ডনে থাকা তারেকের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মামুন আহমেদের টেলি আলোচনার ভিত্তিতে এই দাবি করেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাড়িতে হামলায় জড়িতদের শনাক্তে অধ্যাপক মামুনকে গ্রেপ্তারের দাবিও জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের মধ্যে গত রোববার উপাচার্যের বাড়িতে হামলা হয়।

আওয়ামী লীগ নেতারা শুরু থেকে সন্দেহ করে আসছিলেন, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের অন্য মতলব রয়েছে।

এর মধ্যে বুধবার তারেকের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক নেতা অধ্যাপক মামুনের কথোপকথনের একটি অডিও ইউটিউবে আসে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার সেগুন বাগিচার স্বাধীনতা হলে এক আলোচনা সভায় হাছান মাহমুদ সেই প্রসঙ্গ তুলে বলেন, ‘কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপি-জামায়াত পেট্রোল বোমাবাহিনী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করছিল।তারেক রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মামুনের সাথে কথা বলে আন্দোলনে বাতাস কীভাবে দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা করেছেন। মামুন সাহেবকে গ্রেপ্তার করা উচিৎ, তাহলে কারা এই ভাংচুর করেছে, তার তথ্য বেরিয়ে আসবে।’

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি অংশও উপাচার্যের বাড়িতে হামলায় যুক্ত থাকতে পারে বলে মনে করেন এই আওয়ামী লীগ নেতা।

তারেক রহমানের সঙ্গে জাসাস সভাপতি অধ্যাপক মামুনের টেলি আলাপের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বৃহস্পতিবার এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান যদি দল সমর্থক কোনো শিক্ষককে আন্দোলনে সমর্থন দিতে বলেন, তাতে অন্যায় কিছু নেই।

বিএনপি সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে এখন কোটা সংস্কারের আন্দোলন আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করেছে বলেও মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সব আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে পরগাছা দলে পরিণত হয়েছে। তাদের রাজনীতি বানের পানিতে ভেসে গেছে। তাই কোটাবিরোধী আন্দোলনকে আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টা করেছেন বিএনপি নেতারা।’

কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারের পরাজয় ঘটেছে বলে যে প্রতিক্রিয়া বিএনপি নেতাদের কাছ থেকে এসেছে, তার জবাবও দেন হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘পরাজয় নয়, সরকারের জয় হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে আন্দোলনকারীরা মিছিল করেছে।

Leave a Reply