আন্দোলনের মাধ্যমেই খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে : বিএনপি

রাজনীতি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে ‘আন্দোলন’ ছাড়া এখন অন্য কিছু চিন্তা করছে না বিএনপি। গতকাল শনিবার বিকালে এক আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা আন্দোলনের বিকল্প ভাবছি না। আন্দোলনের মাধ্যমেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনা হবে। : তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না। দেশের মানুষ যখন নেতৃত্ব শূন্যতায় ভুগছে। কোনো দিক নির্দেশনা পাচ্ছে না। এমন কঠিন সময়ে জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে অস্ত্র হাতে বেরিয়ে পড়লেন। সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলেন। গতকাল শনিবার রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে ২৬ মার্চ-২০১৮ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ আজ গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে আটকে রেখেছে। আজ আসুন সবাই ফেটে পড়–ন, রাজপথে নেমে আসুন। এখন আর বসে থাকার সময় নেই। একটাই লক্ষ্য খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা। এ ব্যতীত অন্যকিছু নয়। এই দেশে গণতন্ত্রের যতটুকু অর্জন হয়েছিলো, যিনি স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই-সংগ্রাম করেছিলেন, তাদের বিদায় করেছিলেন, সেই গৃহবধূ থেকে দেশের পথে প্রান্তরে গণতন্ত্রের গান গেয়ে বেড়িয়েছেন আজকে সেই গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার অন্যায়ভাবে বন্দি করে রেখেছে। আমরা স্পষ্টভাষায় বলতে চাই, কোনো বিকল্প নেই আন্দোলন, আন্দোলন এবং আন্দোলন ছাড়া। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা দেশনেত্রীকে কারামুক্ত করবো। : তার আগে অন্য কোনো কিছু আমরা চিন্তা করছি না, করব না। : নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান রেখে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের সংগঠন শক্তিশালী করতে হবে। প্রতি ঘরে ঘরে গিয়ে এই বাণী পৌঁছিয়ে দিতে হবে যে, এখন ঘরে বসে থাকার সময় নেই। নিজের অধিকার আদায়ের জন্যে, আমার ভোট আমি দেবো- এই অধিকার আদায়ের জন্যে, বেঁচে থাকার অধিকারের নিশ্চয়তা পাবার জন্যে সকলকে এই ভয়াবহ যে দানব আমাদের বুকের ওপর চেপে বসে আছে, সেই দানবকে সরাতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ফেটে পড়–ন সবাই, উঠে দাঁড়ান, সবাই জাগ্রত হোন। এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে সকলকে রাজপথে নেমে আসতে হবে। : সকল গণতান্ত্রিক দল ও সংগঠনকে ‘সরকার হটাতে’ জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি জায়গায় প্রতিটি মানুষ এখন শুধু অপেক্ষা করে আছে কখন একটা সুযোগ পাবে, সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে এই সরকারকে একেবারে চিরতরে উৎখাত করে দেবে। আমরা এখন একেবারেই শান্তিপূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। এই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আমরা সরকারের পতন ঘটাবো। বাধ্য করবো দেশনেত্রীসহ আমাদের সকল রাজবন্দিকে মুক্ত করবার জন্য। : দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, কেন্দ্রেীয় নেতা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আজিজুল বারী হেলাল, শফিউল বারী বাবু, ইয়াসিন আলী, রাজিব আহসান, আকরামুল হাসান, কাজী আবুল বাশারসহ সকল নেতৃবৃন্দের মুক্তির দাবিও জানান মির্জা ফখরুল। : বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে এবার স্বাধীনতা দিবসে আলোচনা অনুষ্ঠান করার বেদনার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয় নিয়ে আমাদেরকে আজ আলোচনা সভার আয়োজন করতে হয়েছে চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী। আমাদের নেত্রীকে কারাগারে আটকিয়ে রাখা হয়েছে। মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। আমাদেরকে জনসভা করতে দেয়া হয় না। : শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে যেমন তিনি সবাইকে তেমন মনে করেন। তাই তার কথার উত্তর দেয়া আমাদের রাজনৈতিক শিষ্টাচারে নেই। তাই আমি তার কথার জবাব দিতে রাজি না। : বিএনপি মহাসচিব বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো বিরোধী মতকে সহ্য করতে পারে না। আর সেজন্যই তারা গণতন্ত্রের মাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে আটকে রাখা হয়েছো। তারা জানে খালেদা জিয়া রাজপথে নেমে আসলে আবার সেই ১৯৯০ সালের মত জনবিস্ফোরণ ঘটবে। তাই তাকে আটকে রেখেছে। : তিনি বলেন, আজ আমরা এমন একটি সময় স্বাধীনতা দিবস পালন করছি যখন আমাদের সব স্বপ্ন ও অধিকরগুলোকে ভেঙে চুরমার করা হয়েছে। যে চেতনার জন্য আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছিলম তা আজ ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।  কে ধ্বংস করেছে যারা আজ ক্ষমতা দখল করে রেখেছে জোর করে। কারণ তাদের চরিত্রই এটা, এটা তাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। বর্তমান অবৈধ সরকারের যতবড় মেগা প্রজেক্ট ততবড় মেগা চুরি। কারণ তারা এক একটা মেগা প্রজেক্ট চালু করে দেশের সম্পদ চুরি করছে। দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে। : প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, যেখানে আওয়ামী লীগ ও তাদের নেতারা ব্যর্থ হয়েছে সেখানেই বিএনপি ও জিয়াউর রহমান সফল হয়েছেন। আর সেই জন্য জিয়াউর রহমানকে ভয় পায় আওয়ামী লীগ। শুধু জিয়াউর রহমান নয়, খালেদা জিয়া, তারেক রহমান, বিএনপির নেতাকর্মীকে ভয় পায়। শুধু তাই নয়, বিএনপিকে সমর্থন করে বলে দেশের জনগণকে ভয় পায়। আর সেই জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে আটকে রেখেছে। তারা চায় আবারও ভোটাটবিহীন নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকতে। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে বাদ দিয়ে ৫ জানুয়ারি মার্কা কোনো নির্বাচন জনগণ হতে দেবে না, হবে না। : সাবেক এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন এটি ঐতিহাসিক সত্য। এটিকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমান ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট থেকে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। এটি হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ইতিহাস। দেশের মানুষ আশা করেছিলো আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করবেন কিন্তু তিনি সেটা পারেননি। করলেন মেজর জিয়াউর রহমান। আর সে জন্য বর্তমান সরকার তার নাম সহ্য করতে পারে না।  তার নাম শুনলেই ভয় পায়। তিনি বলেন, যে চেতনা নিয়ে দেশের মানুষ যুদ্ধ করেছিলো তার আজ কি অবস্থা?  মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিলো গণতন্ত্র, মানুষের কথা বলার অধিকার  সংবাদপত্রের স্বাধীনতা। কিন্তু বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে শেষ করে দিয়েছে। : বিএনপির এ নেতা বলেন, আজ আমরা এমন একটা সময় আলোচনা সভা করছি যখন আমরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্বৈরাচার হিসেবে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরে এ স্বীকৃতি আমাদের জন্য লজ্জার। দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে নিজের জীবন দেয়নি স্বৈরাচার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য। এটি দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। : একাদশ নির্বাচন নিয়ে সরকার ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করে মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশনেত্রীকে নির্বাচন থেকে বাইরে রেখে, বিএনপিকে নির্বাচন থেকে বাইরে রেখে আবার ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো প্রহসনের ভোটছাড়া নির্বাচন করতে চায়। আমরা বলতে চাই, একাদশ নির্বাচন ২০১৪ সালের মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি দেশে হবে না, হতে দেয়া হবে না। দেশনেত্রীকে ছাড়া এদেশে নির্বাচন হতে দেবে না জনগণ। আমরা নিয়মতান্ত্রিক শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ও আইনের লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রথম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তার নেতৃত্বে আগামীদিনে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠা করে সংসদ ভেঙে দেয়ার দাবি আদায় করে ইনশাল্লাহ আমরা আগামী নির্বাচনে যাবো। সেই নির্বাচনে দেশনেত্রীর নেতৃত্বে আমরা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করব, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করব। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি করতে আইনি লড়াই যথেষ্ট নয়। জনমত সৃষ্টি করতে হবে, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে হবে। তাহলে ইনশাল্লাহ তিনি আমাদের মাঝে খুব শিগগিরিই ফিরে আসবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। : নির্বাচনের প্রস্তুতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা একটি নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। বিএনপি গণতান্ত্রিক দল, গণতান্ত্রিক পন্থায় দেশের আমরা দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে চাই। সেটা করতে গেলে আমাদেরকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে এবং প্রত্যেকটি জায়গায় আপনাদেরকে নিয়োজিত করতে হবে।  আওয়ামী লীগ নির্বাচন নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বসে থাকলে চলবে না। আমাদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। আমাদেরকে সব সময়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। রাজনীতির ব্যাপার যেকোনো সময় নির্বাচন হতে পারে। : তিনি বলেন, সরকারের দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ অনেক বেশি পেছনে চলে গেছে। কিন্তু বিএনপি সরাকর ক্ষমতায় থাকলে বাংলাদেশ আরো ৬-৭ বছর আগে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতো। : মওদুদ আহমদ বলেন, যে দেশে গণতন্ত্র নেই সে দেশে উন্নয়নশীল দেশের তকমা পুরোপুরি অর্থহীন। এটি জনগণের কাজে আসবে না। আজ দেশে গণতন্ত্র নেই, মানুষের কথা বলার অধিকার নেই। অথচ তকমা লাগানো হয়েছে উন্নয়নশীল দেশের। আসলে উন্নয়নশীল দেশের এ তকমা অর্থহীন। কারণ গণতন্ত্র ছাড়া কখনও সত্যিকারের উন্নয়ন সম্ভব নয়। : সাবেক এ আইনমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের সামনে ৩টি এজেন্ডা রয়েছে। যার প্রথমটি হচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি। আমরা আমাদের নেত্রীকে ফিরে পেতে চাই। দ্বিতীয়টি হচ্ছে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, যাতে দেশের মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। আর তৃতীয়টি হচ্ছে এখনই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে হবে। এখন থেকেই নির্বাচনের জন্য কাজ শুরু করতে হবে। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, দেশে একদলীয় বাকশালের শাসন চলছে, কোনো স্বাধীনতা নাই, কথা বলতে পারবেন না, মুখও খুলতে পারবেন না।  বেশি কথা বলবেন সব জেলে ঢুকাইয়া দিবো, আপনাদের নেত্রীকে জেলে ঢুকাইয়া দিছি। এই অবস্থা চলতে দেয়া যাবে না। আমরা চাই পরিপূর্ণ গণতন্ত্র, কথা বলার অধিকার। যদি না আসে ইনশাল্লাহ আমরা আদায় করে নেবো। মনে রাখবেন দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলন একটি সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হবে ইনশাল্লাহ। : মির্জা আব্বাস বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণকে ভয় পায়, তারা জনগণকে ভয় পায় বলে তাদের মোকাবিলা করার সাহস নেই। আর সে জন্য তারা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে ভয় পায়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির নয় আওয়ামী লীগেরর দাবি ছিলো। আজ এখন তারাই বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দারকার নাই। সমাবেশের অনুমতির বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন আজ মিথ্য মামলায় জেলে কিন্তু তারপরও আমাদের কর্মসূচিতে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। আর সেই ভয়ে ভীত হয়ে বর্তমান সরকার আমাদের কোনো সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয় না। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরও আজ কেন স্বাধীনতাকে খুঁজতে হচ্ছে? বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারকে এর জবাব দিতে হবে। কারণ মুক্তিযুদ্ধের প্রথম কথা ছিলো গণতন্ত্র, কিন্তু সে গণতন্ত্র আজ ভূলুন্ঠিত। এসবের জন্য ভোটারবিহীন সরাকরকে জবাব দিতে হবে। : তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজ আমাদের শপথ নিতে হবে, যতক্ষণ বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা হবে না, ততক্ষণ আমরা ঘরে ফিরে যাব না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসনকে মুক্ত করে তার নেতৃত্বে নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আদায় করবো। : বিএনপি স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, আমরা একটা বৈষম্যহীন সমাজের জন্য, সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গনের জন্যই, গণতন্ত্রের জন্য পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলাম। কিন্তু তার কোনোটটাই আজ প্রতিষ্ঠিত নেই। এসব প্রতিষ্ঠা করতে হলে দরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরাকর। আর তার জন্য লড়াই করছেন বেগম খালেদা জিয়া। সে জন্য তাকে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। : তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও জুলুমবাজ সরকার টিকে থাকতে পারেনি, বাংলাদেশেও পারবে না। বর্তমান স্বৈরাচার সরকারকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে বিদায় করা হবে। : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে এবং প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ও সহ-প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীমের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বীর প্রতিক,  ইনাম আহমেদ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, ফজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসানউল্লাহ হাসান, দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেইন, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোরতাজুল করীম বাদরু, স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তফিজুর রহমান, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ।  এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ডা. এজেডেএম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, হাবিবুর রহমান হাবিব, আতাউর রহমান ঢালী, সিরাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপির এবি এম মোশাররফ হোসেন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, শহিদুল ইসলাম বাবুল, সহ-দফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ইসমাইল হোসেন বেঙ্গল, মো. মতিন, আ ক ম মোজ্জামেল হক, শেখ রবিউল আলম রবি, আমিনুল ইসলাম, কাজী রফিক, শামসুজ্জামান সুরুজ, বিএনপি নেতা আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, ইউনুছ মৃধা, ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি, শামীম পারভেজ, অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন মন্ডল, যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, ঢাকা মহানগর যুবদল উত্তরের সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফখরুল ইসলাম রবিন, সাধারণ সম্পাদক গাজী রেজওয়ানুল হোসেন রিয়াজ, ঢাকা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, আবু আতিক আল হাসান মিন্টু, ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, তরিকুল ইসলাম টিটু, সৈয়দ মুকিদুল আহসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহবুব মাছুম শান্ত, মামুন হোসেন ভূইয়া, দফতর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ,  সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক বাশার সিদ্দিকী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাছির, ঢাকা মহানগর ছাত্রদল উত্তরের দফতর সম্পাদক তানভীর আহমেদ খান ইকরাম প্রমুখ।

Leave a Reply