খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছে, বিএনপির হয়নি : ইনু

রাজনীতি

নীলফামারী : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বিএনপি সহায়ক সরকারের প্রস্তাব দিয়ে চার বছর ধরে রূপরেখা দিতে পারেনি। এখন বলছে খালেদা জিয়ার মুক্তি না হলে নির্বাচনে আসবেন না। খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছে, বিএনপির সাজা হয়নি। তাহলে তারা কেন নির্বাচনে আসবে না।

নীলফামারীর জলঢাকায় জিরো পয়েন্ট মোড়ে বুধবার দুপুরে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ উপজেলা শাখা আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা জাসদ সভাপতি গোলাম পাশা এলিচ এতে সভাপতিত্ব করেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাখওয়াদ হোসেন রাঙ্গা, বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক খাদেমুল ইসলাম খুদী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রাজিউর রহমান রাজু, দিনাজপুর জেলা জাসদ সভাপতি লিয়াকত আলী, জেলা সভাপতি অধ্যাপক আজিজুল ইসলাম ও জলঢাকা উপজেলা জাসদ সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম মিতু প্রমুখ।

সেক্যুলারিজম আর সাম্প্রদায়িকতার মাঝখানে হাঁটার দ্বৈততা বন্ধ করতে হবে : ইনু

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, সেক্যুলারিজম আর সাম্প্রদায়িকতা, গণতন্ত্র আর সামরিক শাসন বা বাংলাদেশ ও পাকিস্তনের মধ্যে দোল খাওয়া বা মাঝখান দিয়ে হাঁটার দ্বৈততা বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্র, সামরিকতন্ত্র আর ধর্মতন্ত্রের একটু করে নিয়ে খিচুড়িতন্ত্রের পথ পরিহার করতে হবে।

রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের বেগম সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে ছায়ানীড় সাংস্কৃতিক দলের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহ্বান জানান। খবর বাসসের।

মন্ত্রী বলেন, যে টেকসই উন্নয়নের কাজ শেখ হাসিনা করছেন, তা অব্যাহত রাখতে হলে তাকে আবার নির্বাচিত করতে হবে। সকল দ্বৈততা থেকে মুক্ত হয়ে দেশকে তার নিজস্ব পথে এগিয়ে নিতে হবে’ উল্লেথ করে ইনু বলেন, শেখ হাসিনার সরকার নির্বাচিত হলেই টেকসই গণতন্ত্র আর টেকসই রাজনীতির ধারা অব্যাহত থাকবে।

মুক্তিযোদ্ধা ইনু বলেন, দুষ্টুচক্রের পৃষ্ঠপোষক খালেদা জিয়া-বিএনপিকে নয়, তেঁতুলহুজুর-রাজাকার-জংগিসন্ত্রাসী-সাম্প্রদায়িক চতুষ্টয় চক্রের হাত থেকে শিল্প-সাহিত্যকে রক্ষা করতে শেখ হাসিনার সরকারকেই আবার নির্বাচিত করতে হবে।

শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীরা দেশের আত্মার মতো, উল্লেখ করে জাসদ সভাপতি বলেন, তারাই দেশকে কুসংস্কার, ধর্মান্ধতা, লিংগবৈষম্য থেকে মুক্ত করার অগ্রপথিক।

অর্থনীতিবিদ ড. এম এ ইউসুফ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বক্তৃতা করেন। তিনি জাতিগঠনে শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীদের ভূমিকাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বর্ণনা করেন।

সভায় জাতীয় পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব সাদেক সিদ্দিকী, ছায়ানীড়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার. জেনারেল. (অব) আব্দুস সবুর মিয়া ও বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অভ পিসের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বিলকিস খানম পাপড়ি সম্পাদিত ‘স্বাধীনতা পুরস্কাপ্রাপ্ত বরেণ্য বাংগালি ও প্রতিষ্ঠান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় ২২ জন লেখককে সম্বর্ধনা দেয়া হয়।

Leave a Reply