বেগম খালেদা জিয়াকে সরকারের উপহার

রাজনীতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকারের পক্ষ থেকে নতুন উপহারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। তিনি আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক জনসভায় এ ঘোষণা দেন।

এই জনসভায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য পদ্মা সেতুর টোল ফ্রি করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

আজ বুধবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক জনসভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘খালেদা জিয়া বলেছেন পদ্মা সেতুতে নাকি উঠা যাবে না। পদ্মা সেতুর কাজ শুরু নয় শেষও হবে শেখ হাসিনার অধীনেই।’ খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এলে পদ্মা সেতুর কাজ বন্ধ করে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাইকোর্টের দেওয়া রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার মরে গোরস্থানে চলে গেছে। কোনোদিন আর ফিরে আসবে না। তাই শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে এবং শেখ হাসিনার অধীনে জাতীয় নির্বাচনে খালেদা জিয়া অংশ নেবেন। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। সংবিধানের বাইরে কোনো কিছু হবে না।’

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের উন্নয়ন থমকে যাবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই খুব বুঝে শুনে ভোট দিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন নিশীত নন্দী মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, সিবিএইচসির লাইন পরিচালক আবুল হাসেম খান, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মোহী, চট্টগ্রাম বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালক মো. মজিবুল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক রেজওয়ানুর রহমান, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, জেলা স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি চিকিৎসক আবু সাঈদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য উপজেলা পরিষদের পাশের পাঁচ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। ২০১৪ সালে ৯ নভেম্বর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় হয় ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। এর নির্মাণকাজ শেষ করে ২০১৬ সালের নভেম্বরে স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Leave a Reply