কুমিল্লায় ট্রেন-ট্রাক সংঘর্ষে চট্টগ্রাম-সিলেটের সাথে রেল যোগাযোগ বন্ধ

সারাদেশ

কুমিল্লা : কুমিল্লায় ট্রেন ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় চট্টগ্রাম-সিলেটের সাথে ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। শনিবার সকাল পৌণে ৯ টার দিকে কুমিল্লা সদর উপজেলার বানাশুয়ায় ডেমো ট্রেন ও ট্রাকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কুমিল্লা রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শফিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুমিল্লায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ সন্ত্রাসী নিহত

কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শীর্ষ সন্ত্রাসী ও তাহের বাহিনীর প্রধান আবু তাহের (২৮) নিহত হয়েছেন। এ সময় ডিবির একজন এসআইসহ ৩ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে একটি পিস্তলসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র।

ডিবির এসআই সহিদুল ইসলাম জানান, শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জেলার সদর উপজেলার আলেখারচর সাবুরিয়া সিএনজি পাম্পের পেছনে গোমতি নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সন্ত্রাসী আবু তাহের নগরীর সংরাইশ এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে।

ডিবি সূত্র জানায়, জেলার সদর উপজেলার আলেখারচর সাবুরিয়া সিএনজি স্টেশনের পেছনে গোমতি নদীর বাঁধে ১০-১৫ জনের একদল ডাকাত ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে ডিবির ওসি এ কে এম মঞ্জুর আলমের নেতৃত্বে ডিবির একটি একটি দল সেখানে পৌঁছায়। ডাকাতদল ডিবি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় ঘটনাস্থলে শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং ওই ডাকাত দলের প্রধান আবু তাহের গুলিতে আহত হন। তাকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ সময় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযানে অংশ নেয়া ডিবি পুলিশের মধ্যে আহত হন এসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই শাহীন ও কনস্টেবল ইসমাঈল। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লিটন নামের এক ডাকাতকে আটক করেছে। এছাড়া ২ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল এবং বেশ কিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিবির ওসি এ কে এম মঞ্জুর আলম জানান, নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী আবু তাহেরের নেতৃত্বেই নগরীসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে অন্তত এক ডজন মামলা রয়েছে।

‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডিবি পুলিশের মধ্যে আহত হন এসআই সহিদুল ইসলাম, এএসআই শাহীন ও কনস্টেবল ইসমাঈল।

ওসি আরো জানান, ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লিটন নামের এক ডাকাতকে আটক করেছে। এছাড়া ২ রাউন্ড গুলিসহ একটি পিস্তল এবং বেশ কিছু দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লায় গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে ডাকাত দলের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শামীম (৩০) নামের একজন নিহত হয়। এ ঘটনায় ডিবির এক এসআই ও ২ কনস্টেবল আহত হয়েছিলেন। এসময় একটি পাইপ গানসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।

গত শনিবার (২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর)দিবাগত গভীর রাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন জেলার চান্দিনার ছয়গড়িয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ডাকাত শামীম চান্দিনার কাসেমপুর গ্রামের সাদেকুর রহমানের ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছিল, জেলার চান্দিনার ছয়গড়িয়ায় একটি ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবর পেয়ে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে ডিবির একটি টিম সেখানে পৌঁছে। এসময় ডাকাত দল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে শামীম গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হয়। তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Leave a Reply