গেজেট প্রকাশের তিন বছর পর জাফলংয়ের ইসিএ’র সীমানা নির্ধারণ

সিলেট বিভাগ

পরিবেশ ধ্বংস ও শ্রমিকদের প্রাণহানির বিষয়টি মাথায় রেখে ২০১৫ সালে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং-ডাউকি নদীকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে সরকার। সে অনুযায়ী ১৪.৯৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা চিহ্নিত করে গেজেটও প্রকাশ করা হয়।
কিন্তু, গেজেট প্রকাশের প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেলেও অদ্যাবধি গেজেটে উল্লেখিত এলাকার সীমানা নির্ধারণ ও এর বাস্তাবয়ন হয়নি। বছরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার বিকেলে জাফলংয়ের মন্দিরের জুম এলাকায় পাথর উত্তোলনের গর্তে পাড় ধসে মাটি চাপায় পাঁচ শ্রমিক নিহত হওয়ার পর সরব হয়ে উঠেছে প্রশাসন। এরপর বৃহস্পতিবার সরকারের ঘোষিত ইসিএ’র সীমানা নির্ধারণের উদ্বোধন করা হয়েছে। বল্লাঘাটের পিকনিক সেন্টার এলাকায় প্রথম একটি সিমেন্টের পিলার স্থাপন করে এর উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ, পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো: সালাহ উদ্দিন, সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মৃনাল কান্তি দেব, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সৈয়দ আমিনুর রহমান, উপ-পরিচালক আলতাফ হোসেন, গোয়াইনঘাটের ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন চন্দ্র দাশ, থানার ওসি (তদন্ত) হিল্লোল রায়, পূর্ব জাফলং ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান লেবু প্রমুখ। ইসিএ’র সীমানা নির্ধারণের উদ্বোধন শেষে পাথর উত্তোলনের গর্তে পাঁচ শ্রমিক নিহতের ঘটনাস্থল মন্দিরের জুম এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি ইমরান আহমদ।

Leave a Reply