মুন্সীগঞ্জে আ,লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, গুলিবিদ্ধ ৭

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বুধবার সকালে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমঘাটা এলাকায় দফায় দফায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- লিজা (৩০), মীম (১৫), খালেদা আক্তার (৩৫), ফালান (৩৫), সজল হোসেন ও অজ্ঞাতনামা দুইজন।

মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন জানান, বুধবার সকাল থেকেই মোল্লাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মহসিনা হক কল্পনা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান, সদর থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন পাটোয়ারীর সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণ ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। এই ঘটনায় একটি বিদেশি বন্দুক উদ্ধার করা হয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শৈবাল বশাক জানান, গুলিবিদ্ধদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানা হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১১
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার উপেজলার বাউশিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিপেটা করে পুলিশ।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন গজারিয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ইভান ফরাজী, ছাত্রলীগ কর্মী স্বপন মিয়া, নাসির সরকার, সাইদুল ইসলাম।

প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানান, সম্মেলনে গজারিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ রুবেল ও বাউশিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি শরীফ প্রধানের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চারজনকে আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাস। সংঘর্ষের ঘটনায় সম্মেলনস্থল প্রায় জনশূন্য হয়ে যায়, পরে মৃণাল কান্তি দাসের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তবে এটি পূর্ব পরিকল্পিত নয় এবং কথাকাটির জের ধরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন আছে ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

Leave a Reply