বিএনপির কানা রোগের চিকিৎসা দেবে জনগণ : নাসিম

রাজনীতি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি অন্ধ দল, তারা সরকারের উন্নয়ন চোখে দেখে না। আগামী বছরের বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে নির্বাচিত করে বিএনপির কানা রোগের চিকিৎসা দেবে জনগণ।

শুক্রবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের মহিষামুড়া-কুড়িপাড়া চৌরাস্তার ভিত্তি প্রস্তর ফলক উন্মোচন শেষে আয়োজিত এক জনসমাবেশে তিনি এ কথা বলেছেন।

এ সময় রংপুর সিটি নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচন এ সরকারের আমলে সুষ্ঠু হয়েছে দাবি করে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, নির্বাচনে অংশ নিয়ে তারা হারলে কারচুপির অভিযোগ করে- এটি তাদের পুরানো অভ্যাস।

এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাজীপুর উপজেলা পরিষদ মাঠে ১১৮ জন ভূমিহীনের মাঝে কৃষি খাসজমির দলিল হস্তান্তর, জমির ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন। কাজীপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত শীতার্ত মানুষের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করে বেড়িপোটলে আমেনা মনসুর ইনস্টিটিউট অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসক কামরুন নাহার সিদ্দীকা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিনুর আলম খান, সিভিল সার্জন ডা. কাজী শামীম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সূর্য্য, কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ কারিন, রতনকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা খোকন উপস্থিত ছিলেন।

সিভিল সার্জনকে সাজা দেয়ার ঘটনা দুঃখজনক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ঢাকা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, লক্ষ্মীপুরের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সালাহ উদ্দিন শরিফকে তড়িঘড়ি করে জেল দেয়ার ঘটনা দুঃখজনক।

মঙ্গলবার দুপুরে গাজীপুরের তেঁতুইবাড়ি এলাকায় শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে নয় দিনব্যাপী ফ্রী বার্ন ও প্লাষ্টিক সার্জারী ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। খবর বাসসের

নাসিম বলেন, একজন সাবেক সিভিল সার্জন ও প্রশাসনের কর্মকর্তার মধ্যে একটি অপ্রীতিকর ঘটনায় তড়িঘড়ি করে ওই সার্জনকে জেলে দেওয়া সমীচীন হয়নি।

নাসিম বলেন, তিনি একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক তাকে দ্রুত ছেড়ে দেয়ার জন্য আজ আমি আইনমন্ত্রীকে বলেছি। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এ ধরনের ঘটনা না হওয়ায় ভালো। সকল সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের সেবক। সামান্য একটি ঘটনায় একজনকে যদি জেল দেয়া হয় তাহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে। আর যেনো এ ধরনের ঘটনা না ঘটে সে ব্যপারে কর্তৃপক্ষ সজাগ রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ২৫ নভেম্বর শুরু হওয়া এ বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারী ক্যাম্পে ৮০ জন আউটডোর রোগীকে ও ২৫ জনকে বিনামূল্যে সার্জারী প্রদান করা হয়। ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন জার্মানি, হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। বিনামূল্যে ওই হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসা সেবা পেয়ে রোগীরাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মন্ত্রীর সাথে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া হাই কমিশনারের পরামর্শদাতা ইধাম জুহুরি মো. ইউনুস, গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. সৈয়দ মোহাম্মদ মঞ্জুরুল, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজের সিইও জায়তুন বিনতি সুলাইমান ও মেডিক্যাল ডিরেক্টর ডা. রাজীব হাসান।

Leave a Reply