জঙ্গি ও ইভটিজিং শেষ, এবার মাদক : ইনু

রাজনীতি

জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের মাধ্যমে মাদক সমস্যা নিরসনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থার (মানস) আয়োজনে ‘রোহিঙ্গা সমস্যা ও মাদকাসক্তি: বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। খবর বাসসের

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সুস্থ সমাজ গঠন করতে হলে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে। দেশের সকল স্তরের জনগণের অংশগ্রহণে কঠোর আন্দোলন নিশ্চিত করা হলে মাদকব্যবসায়ী ও গডফাদারদের সমূলে নির্মূল করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে মাদক একটি জাতীয় সমস্যা। যারা মাদক উৎপাদন, পাচার ও মাদকের ব্যবস্যায় জড়িত তারা মানবতাবিরোধী কাজ করে। এদের উৎপাটনে প্রতিটি জেলা ও উপজেলাসহ ইউনিয়ন পর্যায় এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক মাদক প্রতিরোধ কমিটি গড়ে তুলতে হবে। আইনশৃংখলা বাহিনীকে কঠোর শূন্য সহিষ্ণু নীতি গ্রহণ করে কঠোর হাতে এই সমস্যা নিরসন করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ও দেশের জনগণের সহযোগিতায় জঙ্গি তৎপরতা, উৎপাত এবং দমন ও ইভটিজিং কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। এই প্রতিরোধে দেশের জনগণের অংশগ্রহণের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলাবাহিনী কাজ করেছিল বলেই বর্তমানে এ দুটি সমস্যার কিছু সমাধান হয়েছে। মানুষের সচেতনতা গড়ে উঠেছিল বলেই এই এই সংকট মোকাবেলা সহজ হয়েছে।

মাদক ও সাম্প্রদায়িকতা একই ধরনের আসক্তি। এদুটো সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা মাদক ও সাম্প্রদায়িকতায় জড়িয়ে যায় তারা কান্ডজ্ঞানহীন। এরা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে নানা ধরনের অপরাধ করে থাকে। মাদক ব্যবসায়ীদের সনাক্ত করে তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তবেই দ্রুত এই সমস্যা দূর করা যাবে।

মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপ রতন চৌধুরী এতে সভাপতিত্ব এবং মনোবিজ্ঞানী সাদিয়া শারমীন উর্মী সভার সঞ্চালনা করেন।

ড. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, মাদক ও মাদকাসক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। মাদকের ছোবলে নারী-শিশু ও পুরুষ জড়িয়ে পড়ছে। সর্বনাশা এই পথ থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি মাদকাসক্তির কুফল সম্পর্কে শিক্ষাপ্রদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করার ওপর জোর দিতে হবে।

Leave a Reply