ইউটিউব এ সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর গোপন টিপস

বিজ্ঞান প্রযুক্তি

youtube এ নতুন চ্যানেল খোলার পর subscribe কম থাকে। এজন্য viwer যখন দেখবে সাবস্ক্রাইবার কম। তখন চ্যানেলটিতে subscribe করবে না । আর এ অবস্থায় ইউটিউব এ সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর গোপন টিপস হচ্ছে, ইউটুবে চ্যানেলের সাবস্ক্রাইব hide করে রাখা। এতে করে চ্যানেলের subscriber খুব দ্রুত বাড়বে।

এজন্য প্রথমে চ্যানেলে লগইন করে My Chanel এ ক্লিক করে Video Manager এ ক্লিক করতে হবে ।এবার Advance এ ক্লিক করলে “do not display the number subscribe my channel “আসবে। তা সিলেক্ট করতে হবে। ব্যাস কাজ শেষ।

এবার চ্যানেলটির Subscriber কত কেউ দেখতে পাড়বে না এবং চ্যানেলটির subscriber বাড়বে হু হু করে।

 চন্দ্রপৃষ্ঠে ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গের সন্ধান, হতে পারে ভবিষ্যত মানববসতি

টোকিও: চাঁদের মাটিতে বিশাল এক সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছেন জাপানের বিজ্ঞানীরা। ৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সুড়ঙ্গকে এক দিন মানুষের থাকার উপযুক্ত করে তোলা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন তারা।

১৯৭১ সালে চাঁদের মাটিতে পা ফেলার আগে নাসার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছিলেন যে, চাঁদের মাটির নীচে বড় সুড়ঙ্গ আছে। আগ্নেয়গিরির অগ্নুত্পাতের ফলে কয়েক মাইল জুড়ে লাভা জমে ফাঁপা অংশের সৃষ্টি হতে পারে।

বিজ্ঞানীদের দাবি ছিল,সেই সুড়ঙ্গগুলো অনেকটা হাওয়াই দ্বীপের ‘কাউমুনা লাভা’ টিউবের মতো দেখতে। তবে সে সময় প্রামাণ্য তথ্যের অভাবে বিষয়টি খুব বেশি দূর এগোয়নি।

সম্প্রতি জাপানের সেলেনোলজিক্যাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপ্লোরার (সেলেন) চাঁদের মারিয়াস পাহাড়ের কাছে এই সুড়ঙ্গটির খোঁজে পেয়েছেন। সুড়ঙ্গটি প্রায় ৩০-৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৩৩০ ফুট চওড়া।

বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, মনে করা হচ্ছে অগ্ন্যুত্পাতের ফলে সাড়ে ৩০০ কোটি বছর আগে সুড়ঙ্গটির সৃষ্টি হয়েছে।
তবে জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি জাক্সা’র এক বিজ্ঞানী জুনিচি হারুইয়ামা বলেছেন, ‘আমরা জায়গাটা খোঁজে পেয়েছি। কিন্তু সেগুলো লাভা টিউব কিনা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা এখনো সুড়ঙ্গের ভিতরটা দেখতে পারিনি। আশা করছি ভিতরে ঢুকতে পারলে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।’

যদি সত্যিই এই সুড়ঙ্গ আশ্রয়ের যোগ্য হয়, তা মহাকাশচারীদের তাপ ও তেজস্ক্রিয়তা থেকে বাঁচাবে বলে মনে করেন তিনি।

চাঁদের অন্য অংশেও বেশ কিছু লাভা টিউবের অবস্থান জানা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আরো ভালভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য জাক্সা নাসার গ্রেল মিশনের সাহায্য নিয়েছেন।

গ্রেল মিশন ছিল নাসা’র একটি চন্দ্র মিশন, যা চন্দ্রের উচ্চমানের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রের মানচিত্র তার অভ্যন্তরের কাঠামোটি নির্ধারণ করতে ব্যবহার কর হয়েছিল।

পুর্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জে মেলো, যিনি গ্রেল মিশনের এক জন সদস্য, তিনি বলেন,‘কত দূর পর্যন্ত এই সুড়ঙ্গ বিস্তৃত তার নিশ্চিত ধারণা নেই আমাদের। তাই নাসার সাহায্য নেওয়া হয়েছে।’

চাঁদে আবার মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা শুরু করেছেন চীন, জাপান, আমেরিকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সুড়ঙ্গ যদি সত্যিই বাসযোগ্য হয়, তবে তা হবে একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার। এর দ্বারা উপকৃত হবেন চন্দ্রাভিযানে যাওয়া মহাকাশচারীরাও।

Leave a Reply