সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনে বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলবেন অপু বিশ্বাস!

বিনোদন

চলতি বছরের ১০ এপ্রিল দুই বছর আত্ম গোপনের পর মিডিয়ার সামনে সন্তান সহ এসে সব এলোমেলো করে দিয়েছিলেন। সন্তান সহ লাইভে এসে জানিয়ে দিলেন তাদের বিয়ে ও প্রেমের কথা।

এরপরই গুঞ্জন উঠেছে তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে। কিন্তুই দুই পক্ষ থেকে বারবার অস্বীকার করে গেছেন তারা। এদিকে আবার সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছেন অপু। এবারও নিশ্চয়ই কিছু ফাঁস করবেন। আবার কোন বিস্ফোরণ অপেক্ষা করছেন শাকিবের জীবনে।

সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে ভালোবাসার পট উল্টে শুরু হয় এক তিক্ততার সংসার যাত্রা। যার রেশ ধরে নিজের ছেলে আব্রাম খান জয়ের প্রথম জন্মদিনেই দুই মহাতরকা একসাথে ছিলেন না।

জানা গেছে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে এক জরুরী সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস। বেইলী রোডের একটি অভিজাত হোটেলে সন্ধ্যা ৬ টায় অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন।

অপু সাংবাদিকদের জানান, তিনি তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে কথা বলবেন পাশাপাশি নতুন একটি চমকও দিতে যাচ্ছেন এই সাংবাদিক সম্মেলনে।
কান্না থামেনি অপুর

ফের অঝোরে কাঁদলেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। শুক্রবার সন্ধ্যায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের বিনোদন বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান কিউট সাময়িকীতে নিজের ও স্বামী শাকিব সম্পর্কে বলতে গিয়ে কান্না করেন তিনি।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল ছেলেকে নিয়ে প্রথমবারের মতো টিভি চ্যানেলে হাজির হয়ে বিয়ে ও ছেলের কথা ঘোষণার দেয়ার সময়ও কেঁদেছিলেন অপু।

স্বামী শাকিব খানের সঙ্গে অপুর বর্তমানে যে দূরত্ব চলছে, ভবিষ্যতে তা আরো বাড়তে থাকলে তখন কী করবেন- এমন প্রশ্নের উত্তরে অপু বলেন, ‘আমি ধরে নেব ভুলটা আমারই ছিল। হয়তো লাইভে আসার কারণে সে আমার প্রতি ক্ষিপ্ত। আমি বাচ্চা পেটে নিয়ে অনেক সাফার করেছি। তখন আমি সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলাম। আমি ভাগ্য, সময়, বিবেচনা- সবকিছুই মেনে নিয়েছি। বেশি কিছু ভাবি না। যেটা হচ্ছে, আল্লাহ তাআলা চাচ্ছেন তাই হচ্ছে। যেটা হবার নয়, আল্লাহ না চাইলে কখনোই হবে না।’

নিয়তিকে মেনে নেয়ার কথা বলতে গিয়ে নিজের একটি ঘটনা তুলে ধরেন অপু। ‘লাইভে আসার আগে আমি বাসায় দুধে সেমাই বসিয়েছিলাম। পাতিলটা নামানোর সময় হাত থেকে পড়ে গেল। কোনোভাবেই আর সেটাকে উঠিয়ে খাওয়া সম্ভব না। ওইটা আমার রিজিকে ছিল না। যতটুকু রিজিকে ছিল ততক্ষণ আমি রান্না করেছি। ফিল করেছি, ঠান্ডা হলে খাব। কিন্তু যখন পড়ে গেছে তখন ফিলটাও নষ্ট হয়ে গেছে। ওটা আর খেতে পারলাম না। আমাকে আবার তৈরি করে খেতে হবে।’

অপু বলেন, ‘আমি জয়কে পেটে নিয়ে নিজে নিজে সাফার করেছি। ভেঙে পড়িনি। কারণ আমি তখনই নিজেকে মেন্টালি সেটআপ করে নিয়েছি। শুধু ভেবেছি, সন্তানটা তো নিষ্পাপ। আর আমি যাকে ভালোবাসি, এটা সেই ভালোবাসার একটা প্রতীক। এটাই আমার কাছে অনেক কিছু।’

গত কয়েক মাস তোমরা আলাদা থাকো। দীর্ঘ একটা বছর। তো যখন একেবারে নিরালায় থাকো, একাকী থাকো, তখন মন কী বলে? উপস্থাপকের এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন অপু।

তিনি বলেন, ‘একা একা অনেক কান্না করি। নিজেকে হালকা করার চেষ্টা করি। আর আমার কষ্টটা আমি কারো সাথে শেয়ার করতে চাই না। এই কষ্টের ভাগিদার আমি নিজেই। কারণ পরিবার থেকে আমাকে আগেই না করে দিয়েছিল। তারা বলেছিল, সময় থাকতে সবকিছু নিজের মতো করে নাও। আমি সেটা করিনি। তার জন্য কান্নাটা আমার একান্ত।’

চোখের পানি মুছতে মুছতে অপু বলেন, ‘যে কষ্ট আমি পাচ্ছি সেটা আমার একার মধ্যেই রাখি। আমি চাই না আমার বয়স্ক মা এবং আমার পরিবারের যারা আমাকে অনেক ভালোবেসে বড় করেছে তারা জীবনে আর কোনো কষ্ট পাক। কষ্ট একজন পাওয়া ভালো। সবাইকে কষ্ট দেয়াটা আমার কাছে ভালো লাগে না। আমি সবকিছু উপরওয়ালার ওপরে ছেড়ে দিয়েছি। উপরওয়ালাকে আমি বিশ্বাস করি।

Leave a Reply