৭ নভেম্বর না হলে বাংলাদেশের ইতিহাস ভিন্নরকম হতে পারত : কাহের শামীম

সিলেট বিভাগ

‘শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশ একই সূত্রে গাঁথা। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর না হলে বাংলাদেশের ইতিহাস ভিন্নরকম হতে পারত। ৭১ সালে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, তেমনই ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আমরা আধিপত্যবাদী-সা¤্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর হাত থেকে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলাম। যতদিন স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ থাকবে, এর ইতিহাসে ৭ নভেম্বর একটি উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে থাকবেই। সরকার বিপ্লবের চেতনাকে ভয় পায়, তাই তারা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় যাওয়ার ষড়যন্ত্র করে। অথচ বিপ্লব এদেশের মানুষের শিরায় শিরায় বহমান। আর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী দেশ-জাতি, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের শত্রু। তাই যতই জুলুম-নিপীড়ন চালানো হোক না কেন, বিপ্লবীদের দমিয়ে রাখার সাধ্য কারো নেই। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে সিলেট জেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এম. এ হক এ কথা বলেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের সভাপতিত্বে নগরীর দরগা গেইটস্থ কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের শহিদ সুলেমান হলে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সলের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আল মামুন খান।
সভাপতির বক্তব্যে আবুল কাহের চৌধুরী শামীম বলেন, দেশ জাতি আজ চরম ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছে। ১৯৭১ সালে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহিদ জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশপ্রেমিক জনতা মহান মুুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। আবার ৭৫ সালের ৭ নভেম্বর শহিদ জিয়ার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেই সিপাহি-জনতার বিপ্লব সংঘটিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে নিয়ে সা¤্রাজ্যবাদীদের ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা হয়েছিল। সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতি ও দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার কারনে আজো আধিপত্যবাদীরা আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে তুলেছে। তাই ৭ নভেম্বরের জাতীয় চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীপ্ত শপথ নিতে হবে।
আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল কাহির চৌধুরী, জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ মামুন চেয়ারম্যান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ময়নুল হক, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন ও আবুল কাশেম, প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক লায়েছ আহমদ, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক লিলু মিয়া চেয়ারম্যান, তাতী বিষয়ক সম্পাদক অহিদ তালুকদার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন, জেলা সহসাংগঠনিক সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ ও হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফখরুল ইসলাম, সহদফতর সম্পাদক আব্দুল মালেক ও দিদার ইবনে তাহের লস্কর, ছাত্রদল নেতা নজরুল ইসলাম, হানুর ইসলাম ইমন, লিটন আহমদ, এখলাছুর রহমান মুন্না, দুলাল রেজা, আলী আকবর রাজন।
উপস্থিত ছিলেন জেলা সহসভাপতি জালাল উদ্দিন চেয়ারম্যান, আজির উদ্দিন চেয়ারম্যান, জিয়াউল বারী চৌধুরী শাহীন, সাবেক জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুদ্দোজা বদর, জেলা উপদেষ্টা সিরাজ মিয়া, হাজি আব্দুর রব কাঞ্চন, বশির মিয়া, জেলা যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ সাফেক মাহবুব, কোষাধ্যক্ষ ডা. আরিফ আহমদ রিফা, দফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. ফখরুল হক, প্রচার সম্পাদক নিজাম উদ্দিন জায়গীরদার, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সুরমান আলী, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ওলীউর রহমান ডেনি, যুব বিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মানিক, মৎস্য সম্পাদক আলী আকবর, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ হোসেন, সহকোষাধ্যক্ষ অ্যাডভোকেট আহমদ রেজা, মহানগর সহ-দফতর সম্পাদক লোকমান আহমদ, জেলা সহপ্রচার সম্পাদক বোরহান উদ্দিন, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক আমিন উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট তাজ উদ্দিন মাখন, সহ-যুব সম্পাদক আব্দুল মালেক, সহ-কুটির শিল্প সম্পাদক শাহ মাহমুদ আলী, সহ ত্রাণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ খান, সহশিশু সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন জয়, সহপরিবার সম্পাদক আইয়ুব আলী সজীব, সহমুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সদস্য আজির উদ্দিন আহমদ, ফয়েজুর রহমান ফয়েজ, শামসুর রহমান শামীম, আব্দুল হান্নান, মঈনুল ইসলাম মঞ্জু, শফিকুর রহমান টুটুল, গিয়াস আহমদ মেম্বার, আব্দুল মন্নান, আশরাফ বাহার, হেলাল আহমদ, ফরিদ আহমদ, এম. এ রহিম, রফিকুল ইসলাম, যুবদল ও ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে নাহিদুল ইসলাম নাহিদ, লুৎফুর রহমান, মামুন আহমদ মিন্টু, কাজী মেরাজ, দেওয়ান আরাফাত চৌধুরী জাকির, জেহিন আহমদ, নাজিম উদ্দিন পান্না, সুচিত্র চৌধুরী বাবলু, আবুল হাসিম জাকারিয়া, কল্লোল জ্যোতি বিশ্বাস জয়, মকসুদুল করিম নোহেল, মঈনুদ্দিন, জামাল আহমদ, বোরহান উদ্দিন রাহেল, আব্দুর রউফ, ওসমান গনি, আলী আহমদ আলম, ফয়েজ আহমদ, সালাহ উদ্দিন রিমন, মনিরুজ্জামান মনির, জাকির আহমদ, আজিজুল হক আরজু, আব্দুর রহমান সাইজুল ও আব্দুল গণি সাজন। বিজ্ঞপ্তি

Leave a Reply