বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃতিকারীদের শাস্তি দাবি করেছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন

সিলেট বিভাগ

সিলেট নগরীর রিকাবীবাজার-মিরের ময়দান সড়কের দু’ধারে দেয়াল চিত্রগুলোর মধ্যে থাকা বঙ্গবন্ধুর একাধিক চিত্রকে বিকৃত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি ও সিলেট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

ফাউন্ডেশনের নেতৃবৃন্দ বলেন- ‘বাঙালি জাতির জনক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুখাবয়ের প্রতিচিত্র বিকৃতিকারীদের খোঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ছবিগুলো পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে সিটি কর্পোরেশনের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া উচিত। আর এগুলো রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আরোও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।বঙ্গবন্ধুর কারণে বাংলাদেশ লাল সবুজের পতাকা পেয়েছে। তাঁর ছবি বিকৃত করা মানে পুরো বাংলাদেশকেই বিকৃত করা।

নিন্দাজ্ঞাপনকারীরা হচ্ছেন- বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সভাপতি ড. একে আব্দুল মোমেন, সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মানিক মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস খান, সাংগঠনিক সম্পাদক কবিরুল ইসলাম কবির।

প্রসঙ্গত, নগরীর রিকাবীবাজারে সড়কে দু’পাশের দেয়ালে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আঁকা বঙ্গবন্ধুর তিনটি প্রতিকৃতি বিকৃতি করা হয় সম্প্রতি। ওগুলোতে কে বা কারা রাস্তার কাজের বিটুমিন লেপে দিয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রæয়ারি মাসে কবি নজরুল মিলনায়তন থেকে সুবিদবাজারমুখী ডা. চঞ্চল রোডে এসব দেয়ালচিত্র আঁকা হয়েছিলো। শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এসব দেয়ালচিত্রে বিটুমিন লেপে দেওয়া। তিনটি ছবি মধ্যে একটি ধারালো কিছুু দিয়ে ঘঁষে বিকৃতি করা হয়েছে।

ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত গৌরবগাঁথা তুলে ধরতে ডা. চঞ্চল রোডের পূর্বপাশের দেয়ালে গত ফেব্রæয়ারি মাসে এসব দেয়ালচিত্র আঁকা হয়। দু’পাশের দেয়ালে ৯৬টি চিত্রের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত দীর্ঘ পথপরিক্রমার নানা ঘটনাবলি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধুর তিনটি ছবিও ছিল। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের তত্ত¡াবধানে বিনা পারিশ্রমিকে কাজটি করেছিলেন সিলেট আর্ট অ্যান্ড অটিস্টিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

Leave a Reply