জয়ের পথে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

খেলার খবর

দিনের শুরু আর শেষটা মিলে গেল। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দিনের শুরু হল বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে। শেষটাও করলেন তারা। মাঝখানে আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করে ফেলল। আর তাতে বাংলাদেশের সামনে তারা দিতে পারল ১৩২ রানের লক্ষ্য। এর পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল ইসলামের ৫ উইকেটের। তবে ব্যাট করতে নেমে ২৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। শেষ দিনে জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন ১০৫ রান। আর আয়ারল্যান্ডের প্রয়োজন ৮ উইকেট।

সিলেটে ম্যাচের তৃতীয় দিনটি শুধু বোলারদের। সারাদিনে উইকেট পড়েছে ১৬টি। ৬ উইকেটে ৩২২ রানে দিন শুরু করা বাংলাদেশ গুটিয়ে গেল ৩৩৭ রানেই। ৫১ রান নিয়ে খেলতে নামা নুরুল হাসান সোহান ফিরে যান ৫৪ রানে। অ্যান্ড্রু ম্যাকব্রাইন ও জর্জ ডকরেল পেয়েছেন ৩টি করে উইকেট।

বাংলাদেশের চেয়ে ৮২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নামে আয়ারল্যান্ড। ওপেনার জেমস শ্যানন ছাড়া হাসেনি আর কারো ব্যাটই। তার ১১৮ বলে ৯০ রানের ইনিংসে ভর করে ২১৩ রানে অলআউট হয় আয়ারল্যান্ড। বাংলাদেশি বোলারদের তোপে আর কোন আইরিশ ব্যাটসম্যানই দাঁড়াতে পারেননি। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান সিমি সিংকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে শ্যাননের ৫৬ রানের জুটিটিই তাদের সর্বোচ্চ। সানজামুল ৯০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ধসিয়ে দিয়েছেন আয়ারল্যান্ডের ইনিংস। মেহেদী হাসান পেয়েছেন ৩ উইকেট।

১৩২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ম্যাকব্রাইন ৩ বলের ব্যবধানে দুই উইকেট তুলে নেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন মাত্র ৮ রান। শেষপর্যন্ত আর কোন উইকেট না হারিয়ে ২৭ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান সাদমান ইসলাম ১৪ রানে অপরাজিত আছেন। তার সঙ্গী আল আমিনের সংগ্রহ ৯ রান। চতুর্থ দিনে জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার আরো ১০৫ রান। আয়ারল্যান্ড জিততে চাইলে তাদের দরকার ৮ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল ১ম ইনিংস- ২৫৫/১০ (সিমি ১২১, ম্যাকব্রাইন ৫৭; মেহেদী ৩/৪৭, এবাদত ২/২৬)।

আয়ারল্যান্ড ‘এ’ দল ২য় ইনিংস- ২১৩/১০ (শ্যানন ৯০, গেটকাটে ২৬; সানজামুল ৫/৯০, মেহেদী ৩/৪৮)।

বাংলাদেশ ‘এ’ দল ১ম ইনিংস- ৩৩৭/১০ (সাদমান ১০৮, শান্ত ৬৯, সোহান ৫৪; ম্যাকব্রাইন ৩/৬৪, ডকরেল ৩/৯০)।

বাংলাদেশ ‘এ’ ২য় ইনিংস (লক্ষ্য- ১৩২ রান) – ২৭/২ (সাদমান ১৪*, আল আমিন ৯*; ম্যাকব্রাইন ২/১৪)

Leave a Reply